মেনু নির্বাচন করুন
পাতা

কী সেবা কীভাবে পাবেন

·      উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তার কার্যালয়ের কার্যক্রমসমূহঃ

 

নারী উন্নয়ন ও নারী ক্ষমতায়নের লক্ষ্যে মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রনালয় প্রণীত জাতীয় নারী উন্নয়ন নীতি ও কর্মপরিকল্পনার আলোকে মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তর রাজস্ব ও উন্নয়ন প্রকল্পের মাধ্যমে বিভিন্ন কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে।

 

১।দুঃস্থ মহিলা (ভিজিডি) উন্নয়ন কর্মসূচীঃ

বাংলাদেশের দারিদ্র্য পীড়ত এবং দুঃস্থ গ্রামীণ মহিলাদের আর্থ-সামাজিক অবস্থার উন্নয়ন করা, যাতে তারা বিদ্যমান খাদ্য নিরাপত্তাহীনতা, পুষ্টিহীনতা ও অর্থনৈতিক নিরাপত্তাহীনতা এবং নিম্ন সামাজিক মর্যাদার অবস্থানকে সফলভাবে অতিক্রম করে চরম দারিদ্র্য স্তরের ওপরের অবস্থানে টিকে থাকার সক্ষমতা অজর্ন করতে পারে, এই উদ্দেশ্যে ভিজিডি কর্মসুচী মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের আওতায় উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তার কার্যালয়ের মাধ্যমে বাস্তবায়িত হচ্ছে। এই কর্মসূচীর আওতায় একজন মহিলাকে প্রতি মাসে ৩০ কেজি হারে খাদ্য শস্য প্রদান করা হয়। এবং দক্ষতা বৃদ্ধি মূলক প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়।

 

 “২০১৩-২০১৪” ভিজিডি চক্রে পীরগঞ্জ উপজেলায় ২৫৫৩ জন মহিলাকে এই সুবিধা প্রদান করা হচ্ছে।

 “স্বনির্ভরতার জন্য সাহায্য” এই মূল নীতি অনুসরণের মাধ্যমে নিজস্ব উদ্যোগে চরম দরিদ্রাবস্থা হতে বের হয়ে আসতে এই কর্মসূচী মহিলাদের যোগ্য করে তোলে।

 

২।দরিদ্র মা’র জন্য মাতৃত্বকাল ভাতা প্রদান কর্মসূচী সংক্রান্ত তথ্যাদিঃ

 

 MDG ও PRSP ঘোষিত লক্ষ্য অনুযায়ী দরিদ্র মা ও শিশু মৃত্যুহার হ্রাস, মাতৃদুগ্ধু পানের হার বৃদ্ধি, গর্ভাবস্থায় উন্নত পুষ্টি উপাদান গ্রহণ বৃদ্ধি, প্রসব ও পোসবোত্তর সেবা বৃদ্ধি, ইপিআই ও পরিবার পরিকণ্পনা গ্রহনের হার বৃদ্ধি, যৌতুক,তালাক ও বাল্য বিবাহ প্রবণতা রোধ, জন্ম নিবন্ধনে উৎসাহিত করা, বিবাহ নিবন্ধনে উদ্বুদ্ধকরণের লক্ষে দরিদ্র মা’র জন্য মাতৃত্বকাল ভাতা প্রদান কর্মসূচী বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। এই কর্ম সূচীর আওতায় ২০১২-২০১৩ অর্থ বছরের নির্বাচিত ভাতাভোগীর সংখ্যা ১৫ জন এবং ২০১৩-২০১৪ অর্থ বছরের ভাতাভোগীর সংখ্যা ৩১৫ জন সহ বর্তমানে সর্বমোট ভাতাভোগীর সংখ্যা ৩৩০ জন। প্রতিমাসে ৩৫০ টাকা হারে তাদেরকে ভাতা প্রদান করা হয়। চলতি অর্থ বছরে ভাতার পরিমান ৩৫০ টাকা থেকে বৃদ্ধি করে ৪০০ টাকা করা হয়েছে। উক্ত ভাতা ভোগীদেরকে এনজিও’র মাধ্যমে সচেতনতা এবং আত্মকর্ম সংস্থান সৃষ্টি মূলক প্রশিক্ষণ প্রদান করা হচ্ছে।

 

          

৩।মহিলাদের আত্বকর্মসংস্থানের জন্য ক্ষুদ্র ঋণকার্যক্রমঃ

 

দেশের আর্থিক সঙ্গতিহীন কর্মক্ষম মহিলাদের উন্নয়নমূলক কর্মকান্ডে অংশগ্রহণ ও তাদের আত্বনির্ভরশীল করার লক্ষে ঋণ কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। বর্তমানে ঋণগ্রহিতার সংখ্যা ৩২৫ জন। ঋণগ্রহিতা মহিলারা গ্রহণকৃত ঋণ সফলভাবে ব্যবহারের মাধ্যমে উপকৃত হচ্ছে এবং আত্মনির্ভরশীল হিসেবে গড়ে উঠছে।

 

৪।নিবন্ধন কৃত সেচ্ছাসেবী মহিলা সমিতি সংক্রান্ত তথ্যাদিঃ

 

 পীরগঞ্জ উপজেলায় নিবন্ধন কৃত সেচ্ছাসেবী মহিলা সমিতির সংখ্যা মোট-২৬টি। সক্রিয় সমিতির সংখ্যা ১৯টি। নিয়মিতভাবে সমিতি পরিদর্শন করা হয় এবং সমিতির মাধ্যমে সচেতনতা সৃষ্টিমূলক কার্যক্রম জোরদার করা হচ্ছে। প্রতি বৎসর সমিতিগুলোর অনুদান প্রাপ্তির আবেদন যথাযথ কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে প্রেরণ করা হয়। এবং অনুদান প্রাপ্তি সাপেক্ষে বিতরণ করা হয়।

 

৫।নারী ও শিশু পাচার প্রতিরোধ সংক্রান্ত তথ্যাদিঃ

 

 নারী ও শিশু পাচার রোধ করার লক্ষে প্রতিটি সভা সেমিনার এবং উঠান বৈঠকের মাধ্যমে প্রচারনা চালানো হচ্ছে।

 

৬। বাল্য বিবাহ এবং নারী নির্যাতন প্রতিরোধমূলক কার্যক্রমঃ

 

 বাল্য বিবাহ এবং নারী নির্যাতন প্রতিরোধকল্পে প্রমোশন অব জেন্ডার ইক্যুয়ালিটি এন্ড উইমেল এমপাওয়ারমেন্ট প্রকল্পের আওতায় ১৫টি ইউনিয়নে এবং ২টি সমিতিতে রেলী ও আলোচনা সভা করা হয়েছে। উক্ত কার্যক্রমের অংশ হিসেবে বাল্য বিবাহ এবং নারী নির্যাতন প্রতিরোধে শপথ বাক্য পাঠ করানো হয় এবং প্রতিটি ইউনিয়নে বাল্য বিবাহ প্রতিরোধ কমিটি গঠন করা হয়। প্রচার কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে। উপজেলা নারী ও শিশু নির্যাতন প্রতিরোধ কমিটির মাধ্যামে অভিযোগ প্রাপ্তি সাপেক্ষে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়।ন্যাশনাল সার্ভিস কর্মসূচী এবং বিভিন্ন দপ্তর কর্তৃক আয়োজিত  ক্লাস রুম বক্তৃতার মাধ্যমে প্রচারনা অব্যহত রয়েছে।

 

                       ৭। উপজেলা পরিষদ এবং উপজেলা  গর্ভন্যান্স প্রজেক্টের সহযোগীতায় চলমান প্রকল্প সমূহ-

 

 

১। নারী শিল্প উদ্যাক্তাদের শতরঞ্জি তৈরি বিষয়ক দক্ষতা বৃদ্ধি প্রশিক্ষন ও অন্যান্য সহায়তা প্রদান প্রকল্প।

 

২। দু:স্থ বেকার  মহিলাদের প্রশিক্ষন এবং প্রয়োজনীয় সহযোগীতা প্রদান প্রকল্প।

 

৩। দু:স্থ  নারীদের ক্ষমতায়নে ছাগল পালন বিষয়ক আয় বৃদ্ধিমূলক প্রশিক্ষন ও উপকরন সহায়তা প্রদান প্রকল্প।

 

৮। বিবিধ কার্যক্রমঃ

বিভিন্ন দপ্তরের সাথে সমন্বয় করে জেন্ডার সমতা এবং নারীর ক্ষমতায়নের লক্ষে সুযোগ সুবিধার প্রেক্ষিতে নারীদের অংশগ্রহন নিশ্চিত করার, সরকারী নিদের্শনা মোতাবেক তাদের কোটা পূরণ করার ব্যাপারে জোরালোভাবে কাজ করা হচ্ছে।

 

 

                     


Share with :

Facebook Twitter